Earn money as a student in Bangladesh
একজন ছাত্র হিসাবে অর্থ উপার্জনের 5টি সেরা উপায়।
বাংলাদেশর বেশি ভাগ শিক্ষার্থীই পরিবারে ওপর নির্ভরশীল। কিছু শিক্ষার্থীই আছে যারা নিজেরা পড়ালেখার পাশাপাশি অর্থ উপার্জন করে নিজের পরিবার সামলায় এবং পড়ালেখা খরচ চালায়। আমি আজকে আপনাদের কে 5 টা বেস্ট উপায় বলবো যার মধ্যে আপনি আপনার পরিবারের ওপর থেকে কিছুটা হলেও চাপ কমাতে পারবেন।
তাহলে চলুন জেনেনি একজন স্টুডেন্ট হিসেবে আয় করার সেরা ৫টি উপায়।
শিক্ষার্থীই হিসাবে আয় করার জন্য সর্বপ্রথমেই রাখতে হবে টিউশন করানো। স্টুডেন্টদের জন্য টিউশন টায় সবচেয়ে ভালো উপায় আয় করার। আপনি যে ক্লাসে পড়ছেন চেষ্টা করবেন তার নিচের ক্লাস পর্যন্ত পড়ানো।
তাহলে আপনার পড়ালেখা ও প্র্যাকটিস হবে। আর যারা টিউশনির সাইডে নতুন তারা প্রথমে চেষ্টা করবেন যে ক্লাস ছাত্র-ছাত্রী আপনি পড়াতে পারবেন বলে মনে করেন সেই ক্লাসের স্টুডেন্টডের পড়ালে ভালো হবে। কারণ প্রথম সময় অনেক ভয়কাজ করে আপনি পারবেন নাকি পারবেন না। তাই যে ক্লাস স্টুডেন্ট পড়াতে আপনি কনফিডেন্ট থাকবেন সেই ক্লাসের স্টুডেন্টদের কেই পড়ানো।
কিভাবে টিউশন পাবা?
বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি পোস্ট করে টিউশনি পেতে পারেন আবার অনেক ফেসবুক গ্রুপ এবং পেজ আছে যে আপনি আপনার শিক্ষা গতযোগ্যতা দিয়ে পোস্ট করলে তারা আপনাকে টিওশন খুঁজে দিবে। এর জন্য তারা আপনার প্রথম মাসের বেতন থেকে কিছু একটা অ্যামাউন্ট তারা নিবে।
তাছাড়া ও কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আপনার নাম ঠিকানা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা দিয়ে একটি পোস্টার কম্পোজ করাবেন এবং তা প্রিন্ট করবেন। আপনি যে এলাকায় পড়াতে আগ্রহী সে এলাকায় লাগিয়ে দিবেন।
বর্তমান জুগে আউটসোর্সিং কে অনেকেই কেরিয়ার গড়েছে। আউটসোর্সিং একটি অন্যতম পথ হতে পারে আয় করার। কিন্তু একটু সময় বেশি দিতে হবে।যার ফলে পড়ালেখা অনেকটা ক্ষতি হয়। কিন্তু তুমি যদি তোমার পড়ালেখা টপিক এর বাইরে অন্য কিছু শিখে জীবন গড়তে পারো এর থেকে ভালো কিছু আর হবে না। আউটসোর্সিং করতে বেশি কিছু দরকার পরে না শুধু একটা কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এর সুব্যবস্থা। তাহলেই তুমি আউটসোর্সিং শুরু করে দিতে পারো। আবার অনেকই মোবাইল ফোন দিয়েও করে কিন্তু এটা একটু কষ্টকর।
কি ভাবে শুরু করবা।
যেকোনো একটা টপিক সিলেক্ট করো এবং ওপর Youtube এবং Google থেকে কিছু নলেজ গেয়েন করো আর শুরু করে দেও। আউটসোর্সিং এর কি বেস্ট প্লাটফর্ম হলো Fiver, Freelance.com আরো কয়েকটি আছে।
বর্তমানে আয় করার আর একটি জনপ্রিয় মধ্যে হলো ভিডিও তৈরি করা। তুমি ভিডিও তৈরি করে Youtube এবং Facebook আপলোড দিয়ে নিজের পরিবারকে চালানো মতো আয় করতে পারবা। যদি ও এটি একটি সময় সাপের্ক কাজ...যদি তুমি প্রতিদিন ভিডিও তৈরি করো এবং ভিডিও গুলি মান ভালো হয় তাহলে প্রথম ৩-৪ মাসের মধ্যে তুমি আয় করতে পারবে।
যা তুমি তোমার ফোন দিয়েই শুরু করতে পারো।
বর্তমানে অনেকেই ফেসবুকের মাধ্যমে ছোট খাটো বিজনেস শুরু করেছে। এর থেকে মোটা অংকের লাভ ও হচ্ছে। যেকোনো একটা জিনিস তোমার এলাকায় ভালো পাওয়া যাচ্ছে যা অন্য এলাকায় সহজে পাওয়া যাই না। তুমি ওই জিনিসটা ফেসবুকের মাধ্যমে অন্য এলাকায় সেল করতে পারো।
তুমি যদি লেখালেখি করতে ভালোবাসো তাহলে এর থেকে ভালো আইডিয়া হয়তো আর হবে না। ব্লগ লিখে তুমি আয় করতে পারো আর গুগল সুযোগ করে দিছে কোন খরচ না করেই তুমি ব্লগ লিখে আয় করতে পারবা।
কি ভাবে Blogging শুরু করবা এটা জানতে চাইলে কমেন্ট করে জানাও...তাহলে Blogging এর A-Z নিয়ে আর্টিকেল লেখা হবে।
আর নোট বিক্রি বিষয়টা হলো নিজে নোট তৈরি করে সেটা তোমার ফ্রেন্ড বা তোমার স্কুল বা কলেজর ছোট ভাই দের কাছে বিক্রি করতে পারবা।
আমাদের কনটেন্ট গুলো ভালো লেগে থাকলে তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো।