SIM card for tourists is going to be launched in Bangladesh!

কে না চাই দেশ বিদেশ ঘুরতে।আমাদের মধ্যেই এমন সব মানুষ রয়েছে যারা প্রতি বছরই দেশের বাইরে ঘুরতে যায়।আর এদের কে বলা হয় ভ্রমন পিপাসু মানুষ।  ভ্রমন পিপাসুরা পৃথিবীর যেকোনো দেশে ভ্রমণ এ গিয়ে প্রথমে যে সমস্যাটায় পড়েন সেটা হলো মোবাইল ইন্টারনেট সমস্যা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ টুরিস্টদের জন্য নানারকম অফার সম্বলিত সিমকার্ডের ব্যবস্থা করে থাকলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সিম পাওয়া যেত না। যার ফলে যারা ঘুরতে আসতো তারা সাধারণ সিমই কিনে ব্যবহার করতো,এর ফলে বছর শেষ দেখা দিতো অনেক সিম বন্ধ হয়েছে যা ব্যবহার করা হচ্ছে না। যার ফলে দেশের অনেক টাকার ক্ষতি হয়ে যেত।এর জন্য বাংলাদেশে প্রথম বারের প্রথম বারের মতো চালু হতে যাচ্ছে ট্যুরিস্টদের জন্য সিমকার্ড !

This photo is collect from google image. 

যা হতে যাচ্ছে খুব দ্রুতই। কারণ বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ছুটে আসা বিদেশি টুরিস্টদের জন্য টুরিস্ট সিমের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে বিটিআরসি। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে ঘোষণা দেবার পাশাপাশি এটি বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও গ্রহণ করা হয়েছে।


ট্যুরিস্ট সিম কেন দরকার?

বেশিরভাগ বিদেশি নাগরিকরা ভ্রমণ করতে আসেন স্বল্প সময়ের জন্য। পূর্বে যে ব্যবস্থা চলমান ছিল তার মাধ্যমে বিদেশীন নাগরিকরা তাদের পাসপোর্ট এর বিপরীতে সাধারণ সিম ব্যবহার করত।

এরপর তারা যখন ভ্রমণ শেষে তাদের নিজেদের দেশে চলে যেত তখন সেই সিমগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকতো। এতে করে সিমকার্ডের পরিমাণ বেড়ে গেলেও সেখান থেকে কোন রাজস্ব আসতো না। পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে যে গত এক বছরে বিদেশি পাসপোর্ট এর বিপরীতে প্রায় ৩১ হাজার ৩৫৪টি সিম নিবন্ধিত হয়েছে।

ফলে শুধু শুধু রিসোর্স অপচয় হলেও সেখান থেকে কোন প্রফিট প্রতিষ্ঠান এবং দেশের থাকত না বললেই চলে। তাছাড়া বিদেশি নাগরিকরা স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশে এসে এই ধরনের সিম গুলো কিনতে আগ্রহী হন না।

কিন্তু টুরিস্ট সিম ব্যবস্থার ফলে পর্যটকরা স্বল্প সময়ের জন্য সিমটি ব্যবহার করে তা পুনরায় রিসাইকেলের জন্য অনুমোদন দিতে পারবেন। এতে করে সিমটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকবে না এবং অসাধুচক্রের হাতেও পড়বে না।


ট্যুরিস্ট সিম সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত:

টুরিস্ট সিম গুলো একটি নির্দিষ্ট ব্লকের হবে এবং টুরিস্টের ব্যতীত এই সিম অন্য কেউ নিতে পারবেন না। এই সিম ৭ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত নিবন্ধিত করে রাখা যাবে এবং এই সময়ের পর অটোমেটিক্যালি সিমের রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হয়ে যাবে।

তবে যদি এর বেশি সময়ের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে সিমের মেয়াদ বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। সিম রেজিস্ট্রেশনের জন্য সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্লাটফর্মে আলাদাভাবে নিবন্ধন করা হবে যার সিম কার্ড এবং এই সিম দুইটি সুবিধা থাকবে। তবে একটি পাসপোর্ট এর বিপরীতে সর্বোচ্চ দুইটি সিম নিবন্ধন করা যাবে।

Post a Comment

"Give your valuable feedback"
"Thank you"