বর্তমান জুগে সিম (SIM) ছাড়া জীবনে কে সচল মনে হয়। করাণ বর্তমান জুগের প্রায় সকল মানুষই ফোন ব্যবহার করে। আর ফোন ব্যবহার করতে হলে সিম (sim) প্রয়োজন হয়। এখন তো ব্যাংকের কাজের জন্য একটা সিম এর প্রয়োজন। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রেই সিমের প্রয়োজনিয়তা টের পাই।
E-Sim ( ই-সিম)
![]() |
| This Picture is collected from The Times of India. |
What is e-Sim? ( ই-সিম কী?)
ই-সিম(e-Sim) নিয়ে আলোচনা করার আগে চেনে নি সিম (SIM) পূর্ণরূপ। সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল হলো সিম(SIM)।
S - Subscriber
I - Identity
M - Module
এর অর্থ হলো ব্যবহারকারীর পরিচয় বহন করে। আপনি যদি কোন একটি কম্পানির সিম ক্রয় করেন তাহলে আপনার সম্পূর্ণ ডিটেইলস ওই কোম্পানির কাছে থাকবে।যার ফলে আপনি ওই কোম্পানির নেটওয়ার্ক সুযোগ সুবিধাগুলো ভোগ করতে পারবেন। যদি আপনার সিমে কোন সমস্যা হয় তাহলে আপনার ডিভাইসটি নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।একটি সিমের মধ্যে থাকে International Mobile Subscriber Identity (IMSI)।
ই-সিম(e-SIM) ও সাধারণ সিম(SIM) এর পার্থক্যঃ
ই-সিম(e-SIM) এবং সাধারণ সিম(SIM) একই ভাবে কাজ করে, কিন্তু ই-সিম(e-SIM) built-in ভাবে ফোনের ভিতরে থাকে। আপনার ফোনের ram বা ইন্টার্নাল মেমোরি (rom) যেভাবে ফোনের সাথে আগে থেকে লাগিয়ে দেওয়া হয় ই-সিম(e-SIM) একই ভাবে মোবাইল তৈরীর সময় লাগিয়ে দেওয়া হয়।এর জন্য একে Embedded SIM বলা হয়। এই সিম(SIM) আমরা সাধারণত দেখতে পারবো না কিংবা ফোন থেকে বের করতে পারবো না। ই-সিম(e-SIM) এ ক্যারিয়ারভেদে পরিবর্তন হতে পারে। অর্থাৎ আপনি আপনার নেটওয়ার্ক তথ্য পরিবর্তন করে সহজে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবেন। সাধারণ সিমের চেয়ে আকারে এটি অনেক ছোট।যেখানে একটি রেগুলার সিমের সাইজ ১৫×২৫ মিলিমিটার এবং বর্তমান সবচেয়ে ক্ষুদ্র ন্যানো সিমের সাইজ ৮.৮×১২.৩ মিলিমিটার আকারের, সেখানে একটি ই-সিম(e-SIM) প্রস্থ শুধুমাত্র ৬.০ মিলিমিটার। এই ক্ষুদ্র আকারের জন্য যেমন কোনো ডিভাইসে অন্যান্য কম্পোনেন্টের জন্য জায়গা পাওয়া যাচ্ছে, তেমনই ক্ষুদ্র বা আইওটি ডিভাইসে সিমের ব্যবহারও বাড়ছে।
![]() |
| This Picture is collected from EMnify. |
সাধারণ সিমের কার্ডের তুলনায় ই-সিম(e-SIM) এর সুবিধা অনেক বেশি। প্রথম তো সাইজ ছোট হওয়ার ফলে জায়গায় কম লাগে এর ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ডিভাইসে ই-সিম(e-SIM) ব্যবহার করা যায়। মোবাইল ফোনে সাধারণ সিম ব্যবহার এর ফলে যে জায়গায় নিতো ই-সিম(e-SIM) ব্যবহার করার ফলে সেই জায়গা এখন কম লাগছে।যার ফলে মোবাইল ফোনে নতুন ভাবে ডিজাইন করা যাচ্ছে।যার ফলে ফোনের ওয়াটারপ্রুফ তুলনামূলকভাবে আরো স্ট্রং হয়েছে।
![]() |
| This Picture is collected from MobileNewsBD |
ই-সিম(e-SIM) এর সবচেয়ে বেশি সুবিধা লাভ করবে যারা ভ্রমণ করতে পছন্দ করে। কারণ এক দেশ থেকে অন্য দেশ কিংবা দেশের অভ্যন্তরে হোক না কেন, সিম পরিবর্তন করা একটি ঝামেলার কাজ। সিম রিপ্লেসমেন্ট বা হারিয়ে গেলে সিমের নাম্বার গুলো আর পাওয়া যায় না। ই-সিম(e-SIM) ব্যবহারে এইসব কোন ঝামেলা নেই। সিম হারিয়ে যাওয়ার কোন টেনশন নেই।অনেক সময় শোনা যায় ফোন চুরির ঘটনা। ই-সিম(e-SIM) যুক্ত হওয়ার ফলে ফোন চুরি ঘটনাও কমে যেতে পারে।কার ণ ফোন চুরি করে সিম(SIM) ফেলে দেওয়ার কোন অসুবিধা নেই। যার ফলে ফোনের সিম এর সাহায্যে সহজে ট্র্যাক করা যাবে।
কোনো অসুবিধা রয়েছে কি?
ই-সিম(e-SIM) এর কার্যকারিতা নির্ভর করে সিম কোম্পানি সেটি সমর্থন করবে কি না তার ওপর। সারাবিশ্বে এটি সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারোপযোগী করে গড়ে তুলতে সিম কোম্পানিগুলোর সমর্থন অপরিহার্য। এজন্য বর্তমান ফোনগুলোতে এখনও স্ট্যান্ডার্ড সিম ব্যবহার চালু রয়েছে। তবে বিশ্বের সেরা সিম কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যেই তাদের সার্ভিসে ই-সিম যোগ করেছে। এসবের মাঝে এটিএন্ডটি, টি-মোবাইল, ভেরাইজন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এ বছর ৯০টি দেশের প্রায় ২০০ মোবাইল সিম অপারেটরদের তাদের সেবা ই-সিমে পরিবর্তন করার পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করা যায় সমর্থিত ফোন বৃদ্ধির সাথে সাথে সমর্থিত সিম নেটওয়ার্কও বৃদ্ধি পাবে।
Keywords:
e sim, e sim card, what is e sim , e-sim, e sim cards,e-sim card
mobile e sim, e sims, mobile e sim, e sim iphone, e sim, e sim supported phones, gp e sim, e sim grameenphone, e sim in bangladesh, robi e sim, e sim bangladesh, banglalink e sim, e sim card ,e sim means


